POLITY EXPLORER
রাজনীতি আর আড্ডার এক নতুন আঙিনা
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আড্ডায় তোমাকে স্বাগতম!
বইয়ের পাতায় তত্ত্ব পড়তে পড়তে মাথা হ্যাং করার দিন শেষ! রাজা-রানি, সমাজ আর সংবিধানের গল্প নিয়ে আমরা সাজিয়েছি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এই সুন্দর আঙিনা। এসো, সবাই মিলে একসাথে জানা যাক আমাদের চারপাশটাকে।
POLITICAL THINKER
(১৭১২ – ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দ)
সামাজিক চুক্তি তত্ত্বের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা। তিনি বিশ্বাস করতেন ক্ষমতার আসল উৎস জনগণ, এবং তাঁর চিন্তাই ফরাসি বিপ্লবের আদর্শিক ভিত্তি তৈরি করেছিল।
(৪২৮ – ৩৪৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)
আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচারের স্বপ্নদ্রষ্টা। তিনি বিশ্বাস করতেন কেবল জ্ঞানী দার্শনিকরাই পারেন একটি সত্যিকারের ন্যায়সংগত রাষ্ট্র পরিচালনা করতে।
(১৪৬৯ – ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দ)
আধুনিক রাজনৈতিক বাস্তববাদের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “দ্য প্রিন্স”-এ তিনি দেখান যে রাজনীতিতে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে বাস্তববুদ্ধিই আসল, নৈতিকতা নয়।
(৩৮৪ – ৩২২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হিসেবে স্বীকৃত। তিনিই প্রথম বলেন “মানুষ স্বভাবতই একটি রাজনৈতিক প্রাণী” এবং বিভিন্ন সরকার ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে স্বতন্ত্র শাস্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
INDIAN POLITICAL THINKER
(৩৭০ – ২৮৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)
প্রাচীন ভারতের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাষ্ট্রচিন্তাবিদ। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “অর্থশাস্ত্র”-এ রাষ্ট্র পরিচালনা, কূটনীতি ও অর্থনীতির এক অসাধারণ নির্দেশিকা রচনা করেন।
(১৮৬৯ – ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ)
অহিংসা ও সত্যাগ্রহের দার্শনিক। তিনি প্রমাণ করেন যে নৈতিক শক্তি ও জনগণের ঐক্যই পারে সাম্রাজ্যবাদী শাসনকে পরাজিত করতে।
(১৮৯১ – ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ)
ভারতীয় সংবিধানের প্রধান রচয়িতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের অগ্রদূত। তিনি গণতন্ত্র, সাম্য ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন।
(১৮৮৯ – ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ)
আধুনিক ভারতের রাষ্ট্রচিন্তার রূপকার। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি স্বাধীন ভারতের রাজনৈতিক দর্শন নির্মাণ করেন।